দেশজুড়ে চলমান ‘লকডাউন’ আরও বাড়বে কি না, তার সিদ্ধান্ত আসতে পারে বৃহস্পতিবার।

গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পরিস্থিতি দেখে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। বৃহস্পতিবার পর্যালোচনা করা হবে। দেখা যাক অবস্থা কী হয়।

ওইদিন ‘লকডাউনের’ মধ্যেই বই মেলা চলা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

করোনার টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া ৬ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষপটে বেশ কয়েটি নির্দেশনা দিয়ে গত ৩ মার্চ ‘লকডাউনের’ ঘোষণা দেয় সরকার, যা  ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গত ২৯ মার্চ যে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছিল, তার আলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলা সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের তৃতীয় দিন থেকে মহানগরীতে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের চিত্র ছিল একেবারেই নাজুক।

দোকান খোলা রাখার দাবিতে বুধবারও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন দোকান মালিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্য, লকডাউনের কথা বলে দোকানপাট বন্ধ রাখা হচ্ছে। কিন্তু পরিবহন খুলে দেওয়া হলো।

খাবার রেস্টুরেন্টগুলোতে বসে খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা থাকলেও বেশিরভাগ রেস্টুরেন্টেই তা মানা হয়নি।

মন্তব্য করুন