'সকলের জন্য সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর বিশ্ব গড়ি'- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ পালন করা হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসজনিত মহামারির দাপটে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এবার ফিরে এসেছে এই দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মহামারির ক্রমবিস্তৃতিকে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী থেকে শুরু করে দরিদ্র; সব ধরনের দেশেই বিস্তৃতি ঘটেছে এ ভাইরাসের। আক্রান্ত হচ্ছেন ও মারা যাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। হুমকির মুখে পড়েছে জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা। প্রতিষেধক টিকা আবিস্কারের পর আশা করা হচ্ছিল, করোনা সংক্রমণমুক্ত আগের পৃথিবী ফিরে আসবে। বাস্তবে সে রকম ঘটেনি। বরং টিকা নেওয়ার পরও আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন দেশে অনেক মানুষ। কবে নাগাদ করোনা মহামারি থেকে মুক্তি মিলবে- এ প্রশ্ন এখন বিশ্বজুড়ে।
বাংলাদেশেও করোনা মহামারি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। করোনা আক্রান্ত রোগীর হাসপাতালে শয্যা মিলছে না। রাস্তায় ঘুরে ঘুরে আইসিইউ না পেয়েই মৃত্যু ঘটছে অনেকের। এ অবস্থায় স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি কী- তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বাজেটে কম বরাদ্দের পাশাপাশি বছরের পর বছর হাসপাতালে চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট, নানা অব্যবস্থাপনাসহ স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির কারণে এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি স্বাস্থ্য খাত। আবার অনেকের অভিমত, স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব না দেওয়ার প্রতিফল পাচ্ছে মানুষ। চিকিৎসা না পেয়ে মানুষের অব্যাহত মৃত্যুতে করোনাকালে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে- স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। আবার কেউ বলেছেন, অস্বীকার করার উপায় নেই, গত পাঁচ দশকে ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ঘটেছে। গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুহার কমার পাশাপাশি পোলিওর মতো আরও অনেক রোগ থেকে মুক্ত হয়েছে দেশ। গড়ে উঠেছে বড় বড় হাসপাতাল ভবন, বেড়েছে স্বাস্থ্য সুবিধা। আবার কেউ কেউ এমন সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিকেন্দ্রীকরণের দাবি জানিয়েছেন।
'উপেক্ষিত' স্বাস্থ্য খাত :গত এক দশক ধরে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ৬ শতাংশের সামান্য বেশি থেকে ৫ শতাংশের নিচে এবং দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ শতাংশেরও কম থাকছে। তবে এবার এটি বেড়ে জিডিপির ১ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ খাতে বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি অংশই ব্যয় হচ্ছে বেতন-ভাতা, ওষুধ কেনাসহ পরিচালনার পেছনে। বাকি টাকার বড় অংশ খরচ হচ্ছে ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামোগত প্রকল্প খাতে। স্বাস্থ্যসেবার মৌলিক উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য অত্যন্ত কম অর্থই বরাদ্দ থাকে। অন্যদিকে পরিবহন ও যোগাযোগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং স্থানীয় সরকারের খাতগুলোতে অনুন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় উন্নয়ন ব্যয় বেশি। শিক্ষায় উন্নয়ন খরচ পরিচালন ব্যয়ের কাছাকাছি হলেও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের চেয়ে পরিচালন ব্যয় বেশি।
গত ১০ বছরে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ টাকার অঙ্কে তিন গুণ বেড়েছে। অন্যদিকে এই সময়ে বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় সোয়া চার গুণ। ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেটের ৬ দশমিক ২ শতাংশ বরাদ্দ নিয়ে স্বাস্থ্য খাত নবম অবস্থানে ছিল। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটের ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বরাদ্দ নিয়ে স্বাস্থ্য খাত ১১তম স্থানে ছিল।
গত অর্থবছরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ মিলিয়ে মোট ২৫ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পায়। সংশোধিত বাজেটে তা কমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৬৯২ কোটি টাকায়। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ৫ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পরিচালন খাতে ১২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ১০ হাজার ৫৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের পরিচালন খাতে ৩ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ২ হাজার ৪৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। অর্থাৎ দুটি বিভাগেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ পরিচালন খাতে বেশি অর্থ ব্যয় হবে। এই বরাদ্দ মোট বাজেটের মাত্র ৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং জিডিপির ১ দশমিক ৩ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ সমকালকে বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একক কোনো বিষয় নয়- করোনা মহামারি তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। সরকারকে স্বাস্থ্য খাতের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিকল্পনামাফিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে, যাতে গ্রাম থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ হয়ে রাজধানী পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে স্বাস্থ্যসেবার নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ জেলা শহরে বসে একজন মানুষ যাতে পূর্ণাঙ্গ সেবা পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী করতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। তাহলেই মানুষ সুফল পাবেন বলে মনে করেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন ব্যয় বাংলাদেশে :বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যানুযায়ী, স্বাস্থ্য খাতে মাথাপিছু সরকারি ব্যয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় মাথাপিছু সবচেয়ে বেশি দুই হাজার ডলার ব্যয় করে দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ। এরপর পর্যায়ক্রমে শ্রীলঙ্কা ৩৬৯ ডলার, ভারত ২৬৭ ডলার, পাকিস্তান ১২৯ ডলার ব্যয় করে। এর বিপরীতে বাংলাদেশ সবচেয়ে কম মাত্র ৮৮ ডলার ব্যয় করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ হতে হবে দেশের মোট বাজেটের ১৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৫ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যবাজেট মোট বাজেটের পাঁচ শতাংশেরও কম। আর জিডিপির এক দশমিক তিন শতাংশ। বিশ্বে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি জিডিপির মোট ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সুইজারল্যান্ডে বরাদ্দ বাজেটের ১২ দশমিক ২ শতাংশ এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা জার্মানির ব্যয় ১১ দশমিক দুই শতাংশ। জিডিপির তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে কম ব্যয় করে যথাক্রমে মোনাকো, পাপুয়া নিউগিনি ও ব্রুনেই। এই তিন দেশেরও পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি নিজের পকেট থেকে খরচ করে এই দুই দেশের নাগরিক। তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যয় সম্পর্কিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৬৭ শতাংশ ব্যক্তি নিজের পকেট থেকে খরচ করে। বাকি ব্যয়ের ব্যয়ের ২৩ শতাংশ আসে সরকার থেকে, ৭ শতাংশের জোগান দেয় অংশীদাররা এবং বাকি ৩ শতাংশ আসে দাতাগোষ্ঠী, স্বাস্থ্যবীমাসহ অন্যান্য উৎস থেকে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে রোগীর নিজের ব্যয়ের অংশ সবচেয়ে বেশি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় কমাতে জনবান্ধব স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর অনেক মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে। তাই স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ব্যক্তির স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে হবে। মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে এগুতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন :কম বরাদ্দসহ বিভিন্ন সংকটের মধ্যেও গত পাঁচ দশকে স্বাস্থ্য খাত ধাপে ধাপে এগিয়ে চলেছে। গড় আয়ু বেড়েছে। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে। হাম, পোলিও, ধনুষ্টংকারসহ বেশ কিছু রোগ নির্মূল হয়েছে। ফাইলেরিয়া, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে নির্মূলের পথে রয়েছে বাংলাদেশ। কলেরা, গুটিবসন্তসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রকোপ অনেকাংশে কমে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ অসংক্রামক রোগ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
৬৭টি হাসপাতাল নিয়ে শুরু করা বাংলাদেশের গ্রামে এখন কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, বিভাগীয় পর্যায়ে একটি বড় হাসপাতাল এবং ৩৭টি মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত অনেক রোগের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছে। তবে এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সুচিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে অনেক। অধিকাংশ জেলা, উপজেলায় চিকিৎসক, নার্সসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকায় সেবা মিলছে না। আবার জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নেই। অধিকাংশ জেলায় আইসিইউ শয্যা নেই। কিডনি ডায়ালাইসিস, হার্র্টেূর রিং পড়ানো কিংবা ক্যান্সারের চিকিৎসা নেই। গুরুত্বপূর্ণ সার্জারির চিকিৎসাও অপর্যাপ্ত। এসব কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীমুখী হতে হচ্ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য খাতকে বিকেন্দ্রীকরণের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণের দাবি বেশ পুরোনো। এটি করা হলে চিকিৎসার জন্য গ্রামের মানুষকে ঢাকায় আসতে হতো না। প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা থাকা প্রয়োজন। তাহলে মানুষের ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে পৃথকভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি না করে টারশিয়ারি হাসপাতালে সব বিভাগ শক্তিশালী করে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
এর পক্ষে উদাহরণ তুলে ধরে ডা. রশিদ-ই মাহবুব আরও বলেন, একজন রোগীর কিডনি, হার্ট, লিভার ও ডায়াবেটিস সমস্যা রয়েছে। এখন এই রোগী কোন বিশেষায়িত হাসপাতালে আগে যাবেন? কারণ এই বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোর একটিতেও তিনি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পাবেন না। এ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানে এ সংক্রান্ত সব বিভাগ শক্তিশালীভাবে থাকলে সেখান থেকেই এই রোগীর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হতো। জেলা পর্যন্ত এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পদ্ধতি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সমকালকে বলেন, রাতারাতি কোনো একটি খাতকে আমূল পরিবর্তন করে দেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য সময়ের প্রয়োজন। স্বাধীনতার পর দেশে মাত্র ৬৭টি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ছিল। সেখান থেকে ৫০ বছরে এখন গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে। জেলা পর্যায় পর্যন্ত কিডনি ডায়ালাইসিস, হার্টের চিকিৎসা পাবে মানুষ। থাকবে আইসিইউ ব্যবস্থাপনাও। একই সঙ্গে বিভাগীয় পর্যায় থেকে কিডনি, হার্ট ও ক্যান্সারের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পাওয়া যাবে। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। করোনা মহামারি না এলে এতদিনে বিভাগীয় পর্যায়ে কিডনি ও ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মানের কাজ শুরু হয়ে যেত। তবে দ্রুতই এসব কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে আজ বুধবার বিকেলে ভার্চুয়াল এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।


মন্তব্য করুন