রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা আরও জোরালো হবে: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে লি জিমিং- বাসস

রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা আরও জোরালো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে রাষ্ট্রদূত এ কথা জানান। খবর বাসসের

বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে অভিহিত করে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্নিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এ অঞ্চলের সব দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। সাক্ষাৎকালে তারা রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখা দরকার উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, রোহিঙ্গা নাগরিকরা যাতে নির্ভয়ে নিজ দেশে স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যাবর্তন করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করে মানবিক এ সমস্যা সমাধানে চীনকে ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময়ে স্পিকার বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বাণিজ্যে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং সব সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন দিগন্তের সূচনা করবে উল্লেখ করে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, চীনের কারিগরি সহায়তা নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে। রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ সেতু। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন বেশ আন্তরিক। ভবিষ্যতে দু'দেশের সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় এ সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

চীন সফরের স্মৃতিচারণ করে স্পিকার বলেন, ওই সফরে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস অব চায়নার স্পিকার তাকে বেইজিংয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।

এ সময় বাংলাদেশে চীন দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : স্পিকার চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং