দেশে গেল অর্থবছরে ১০ লাখ ৬০ হাজার টন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদন হয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৯২ হাজার ১০৪ টনই বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর মিনিপ্যাক (স্যাশে) বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর লালমাটিয়ায় এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) এক গোলটেবিল বৈঠকে এই সমীক্ষা তুলে ধরা হয়।

দেশে কী পরিমাণ মিনিপ্যাক ব্যবহার হচ্ছে, তার ধারণা পেতে ঢাকার কিছু এলাকা ও উত্তরবঙ্গের রংপুর জেলার ওপর সমীক্ষা চালায়। এতে বলা হয়, এসব অঞ্চলের ৯৭ শতাংশই মিনিপ্যাকের ব্যবহার রয়েছে। মাত্র ৩ শতাংশ এলাকায় এটির ব্যবহার নেই। খাবার পণ্য (চিপস, টমেটো সস, জুস, গুঁড়া দুধ, কফি ইত্যাদি) থেকে ৪০ শতাংশ, প্রসাধনী (শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, টুথপেস্ট, মাউথ ফ্রেশনার) ২৪, ওষুধ ৮, গৃহসামগ্রী পরিস্কার সামগ্রী ৭, রান্নার মসলা, পানীয় ও অন্যান্য পণ্যের থেকে ৭ শতাংশ করে মিনিপ্যাক বর্জ্য তৈরি হয়।

এসডো সভাপতি সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ বলেন, প্লাস্টিকের মিনিপ্যাক পরিবেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক। আকারে ছোট হলেও পরিবেশে এর বিরূপ প্রভাব বিশাল। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে বিশেষ করে স্যাশে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই।
এসডোর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক দূষণ রোধে আমাদের সেই সময়ে ফিরে যেতে হবে, যখন বাজারে মিনিপ্যাক ছিল না এবং মানুষ কেনাকাটার জন্য রিফিল সিস্টেম ব্যবহার করত। এ জন্য একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্যের কাঁচামাল, উৎপাদন ও বিপণনের ওপর অধিক শুল্ক আরোপ করতে হবে।