নির্বাচনী রাজনীতির হালচাল

সমকালীন প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

আহমদ রফিক

বর্তমান বছরের (২০১৮) শেষ দিকে জাতীয় সংসদের নির্বাচন হওয়ার কথা, ঘোষণা তেমনই। তাতে রাজনৈতিক অঙ্গনে সাজসাজ পরিবেশ। কোনো কোনো বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক এবং উত্তাপ কম নয়; যেমন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার। এ বিতর্কটিও তাৎপর্যপূর্ণ এবং তাতে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কিছুটা পিছু হটা বা নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি, যা কারও কারও বিবেচনায় কিছুটা অভাবিত।

কারণ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি প্রসঙ্গে অনেকটাই কথিত 'হার্ডলাইনে'। এ কঠিন অবস্থানের উদাহরণ দীর্ঘদিন ধরে চালিত দুর্নীতি মামলা উপলক্ষে হঠাৎ করে বিএনপিপ্রধান খালেদা জিয়ার গ্রেফতার ও কারাবাস, যা বিএনপিকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। কারণ, অন্য প্রসঙ্গে যাই হোক নির্বাচনে বিএনপির সবচেয়ে শক্তিমান তাস মাঠে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি ও নির্বাচনী তৎপরতা। তাছাড়া নানারকম মামলায় নেতাকর্মী গ্রেফতার তো আছেই।

আওয়ামী লীগ বেশ কিছুদিন থেকেই উল্লিখিত অবস্থানে এবং সে হিসেবেই তাদের নির্বাচনী ছক সাজাতে ব্যস্ত। তাই ইভিএম ঘটনাটি কিছুটা হলেও অবাক হওয়ার মতো। তাছাড়া নির্বাচন কমিশনের হযবরল অবস্থা সবার আলোচনা ও বিচার-ব্যাখ্যায় কৌতুকবহ বটে। কারণ তারা আপন শক্তিতে যথারীতি নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে চলতে পারছে না বলে অনেকের দৃঢ়বিশ্বাস।

এছাড়া বড় একটি বিষয়, প্রাক-নির্বাচনে নিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিষয়টিও বহু আলোচিত। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ কোনো প্রকার ছাড় দিতে চাইবে বলে মনে হচ্ছে না। তাদের শীর্ষনেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতি ও মন্তব্য থেকে তাই মনে হয়। কিন্তু ওই যে বলে- রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। নির্বাচন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় এখন পর্যন্ত অমীমাংসিত ও অনিশ্চিত থাকায় শেষ পর্যন্ত এসব নিয়ে কী ঘটবে, তা এ মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা একেবারেই অসম্ভব। তবে সবারই ধারণা, আগামী মাস অর্থাৎ অক্টোবর নাগাদ বিষয়গুলো সুস্পষ্ট রূপ নেবে। অন্তত বোঝা যাবে অবস্থা কোন দিকে গড়াচ্ছে, কঠিন না তরল অবস্থায়।

দুই.

ইতিমধ্যে রাজনীতির অঙ্গনে দল ও জোটভিত্তিক মেরুকরণ শুরু হয়ে গেছে এবং তা নতুন নতুন বিষয়ের জন্ম দিচ্ছে। যেমন এই কিছুদিন আগে সংবাদপত্র মহলে বড় খবর ছিল ডা. বি. চৌধুরী বনাম কামাল হোসেন দ্বন্দ্ব। কিন্তু তা এত দ্রুত শেষ হয়ে মিলনপর্বের সূচনা ঘটাল যে, তা রীতিমতো অবিশ্বাস্যই বলা চলে। রাজনীতিতে এমন সব ঘটনা প্রায়ই ঘটতে দেখা যায়।

নানামুখী প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে বিএনপি তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ ভালোভাবেই করতে পেরেছে। অন্যভাবে বলতে গেলে, করতে দেওয়া হয়েছে। তাতে বিএনপির মনোবল ও আত্মশক্তিতে আস্থা কিছুটা হলেও বেড়েছে। কিন্তু নির্বাচন মোকাবেলায় এখনও তা যথেষ্ট নয় বলে আমাদের বিশ্বাস। এর জন্য অনেকটা পথ হাঁটতে হবে তাদের।

কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি আগেকার হতাশা অবস্থা ও বেহাল দশা থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের সুস্পষ্ট ঘোষণা- সুষ্ঠু ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন হতে হবে নবগঠিত দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং কারারুদ্ধ খালেদা জিয়ার মুক্তি নির্বাচনের পূর্বশর্ত। অর্থাৎ শর্ত পূরণ না হলে তারা নির্বাচনে যাবে না।

প্রকাশ্য ঘোষণায় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যা-ই বলা হোক না কেন, আমাদের বিশ্বাস, বিএনপি আগেকার ভুল এবার হয়তো করবে না। কারণ, নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার অর্থ দলে স্থবিরতা। সে স্থবিরতা সহিংস প্রতিবাদের মাধ্যমে দূর করা যে কত বড় মারাত্মক ভুল, পূর্বেকার ঘটনাবলি তার প্রমাণ। জনস্বার্থবিরোধী হিংসাত্মক কার্যক্রম দলের মৃত্যুঘণ্টা বাজায়।

তবে বিভ্রান্তিকর চিন্তা ও সিদ্ধান্ত তো হতেই পারে, যেমন আগে হয়েছে। বর্তমানে তাদের ভাষায় মূল শর্ত পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলনের যে হুমকি বিএনপি নেতাদের, সে আন্দোলনের চরিত্র কী হবে, সে সম্বন্ধে তারা নীরব। তাতেই মনে হয়, তারা আগেকার 'জ্বালাও পোড়াও'সুলভ আত্মঘাতী পথ হয়তো ধরবে না। নির্বাচন বর্জনের সম্ভাবনাও কম- এমনটাই রাজনৈতিক বিশ্নেষকদের ধারণা। সে ক্ষেত্রে কী কী কর্মসূচি তারা নিতে পারে, তা এখনও যথেষ্ট স্পষ্ট নয়।

আওয়ামী লীগও সতর্ক নজর রাখছে নিত্যদিনের অবস্থার ওপর এবং সে হিসেবে নিজদের নির্বাচনী কার্যক্রমের নীতি ও কৌশল নির্ধারণ করে চলেছে। এ লেখা উপলক্ষে আপাতত সর্বশেষ খবর হচ্ছে (৫.৯.২০১৮), 'শিগগির নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা' প্রকাশ করতে যাচ্ছে বিএনপি। তাতে মূল দাবি- নির্বাচনকালীন তিন মাস সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অবসরে থাকবেন এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় থাকবে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের হাতে।

তৃতীয়ত, তারা নির্বাচন বিষয়ক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দলীয় সংলাপের দাবিটিও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন তাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে। তাদের চেষ্টা থাকবে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানানো। ঘটনা যেমনই হোক, আপাতত এই তিন দফা কি আওয়ামী লীগ আমলে আনবে বলে মনে হয়? সে ক্ষেত্রে বিএনপির পক্ষে বিকল্প করণীয় কী হতে পারে?

অহিংস, শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন নাকি সহিংস সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন? তারা আপাতত প্রথম ধারাটির পক্ষে কথা বললেও আন্দোলনের প্রকৃত রূপরেখা এখনও প্রকাশ করেনি। তাই নির্বাচন নিয়ে সব পক্ষেই দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ক্রমশ বাড়ছে। মুখে যে যা-ই বলুন, নির্বাচন নিয়ে সমস্যার জট বা জটিলতা এখনও কাটছে না।

অন্যান্য দল বাদ দিয়ে একতরফা নির্বাচন এবার সম্ভব হবে না। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা- 'আগামী নির্বাচন যথাসময়েই হবে।' এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন, অবস্থাক্রমে বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন? জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দলে দাঁড় করিয়ে নির্বাচন সমাপন অসম্ভব নয়। তবে সেটা হবে প্রশ্নবিদ্ধ। তারা ১৪ দলীয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে জোটভুক্ত হওয়ার কারণে। তা না হলে সমস্যা ছিল না।

তিন.

আমাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, চিন্তা-দুশ্চিন্তা যে ১৯৭১ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হয়ে গেল, কিন্তু জাতীয় সংসদ ও অন্যান্য নির্বাচন নিয়ে একটি সুষ্ঠু, ন্যায়নীতিঋদ্ধ নির্বাচন ব্যবস্থা তৈরি হলো না পাশ্চাত্যের জাতিরাষ্ট্রগুলোর মতো। প্রতি বছর নির্বাচন এলে একের পর এক সমস্যা তৈরি হতে থাকে। দ্বন্দ্ব বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল এবং কথিত বিরোধী দলগুলোর মধ্যে। নির্বাচনের নিয়মনীতি ও পদ্ধতিগত বিষয়গুলো নিয়ে রীতিমতো লড়াই শুরু হয়ে যায়।

পরবর্তী বছরগুলোতে এ সম্পর্কে কোনো আলাপ-আলোচনা এবং সর্বদলীয় সার্বজনীন মতৈক্যের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠু, স্থায়ী ব্যবস্থা বা নীতিনির্ধারণ বাস্তবে দেখা যায় না। এর বড় কারণ, আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পরস্পর বিরোধিতাই প্রবল, নির্বাচনে হারজিত নিয়ে অনড় বিতর্ক এখনও প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ঐকমত্যে নির্বাচনী রীতিনীতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়নি।

ফলে প্রতিবারের মতো এবারও দল বা জোটগুলো নির্বাচনবিষয়ক নানা প্রশ্নে একমত নয়। এসব নিয়ে বিএনপির নির্বাচনবিষয়ক দাবিগুলো এবং বাস্তবতার বিষয়গুলো উদ্ঘাটিত হয়েছে। নির্বাচনের সুস্থতা নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে ভিন্নমত ও বিবাদ চালু রয়েছে। কীভাবে এর সমাধান সম্ভব, তা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে নির্বাচনে হারজিত নিয়ে ক্ষমতাসীন দল যে নিশ্চিন্ত নয়, তা বাইরে বড় একটা প্রকাশ না পেলেও, ভেতরে ভেতরে তাদের মধ্যেও রয়েছে চিন্তা ও উদ্বেগ। ক্রমশ তা বাড়ছে। এমন উদাহরণ আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনায় তা যে বাস্তব সত্য, তার প্রমাণ মেলে তাদের সমর্থক কারও কারও লেখায় এবং তা বিভিন্ন খাতে সরকারের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলা গঠন প্রক্রিয়া অগ্রগতি সত্ত্বেও।

কারণ আর কিছু নয়, গত 'পাঁচ-ছয় বছরে আওয়ামী লীগ দলের অনেক নেতাকর্মীর বিতর্কিত ভূমিকা' যা নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ওই লেখকের মতে, 'গত পাঁচ-ছয় বছরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এলাকা দখল, প্রতিপত্তি অর্জন, স্থানীয় প্রশাসনকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে এলাকাভিত্তিক নানা দল-উপদলের, সরবে-নীরবে লুটপাটসহ বেপরোয়া ভূমিকায় রয়েছেন। তাদের কারণেই সৃষ্ট সমালোচনা ও জনরোষের দায়ও এড়াতে পারবেন না।'

সর্বোপরি সমাজে ব্যাপক দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি ব্যাধির আকার ধারণ করেছে। এর সর্বনাশা চরিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করার মতো। এ ছাড়াও রয়েছে 'ক্ষমতা, বিত্ত ও দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিরন্তর ঝগড়া, সংঘর্ষ ও খুনোখুনি, যা দলটির জন্য শঙ্কার কারণ তৈরি করছে। বলা বাহুল্য, এসব নেতিবাচক ঘটনা সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে গ্রাস করে নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। অবশ্য কখনও কখনও রাজনৈতিক কলাকৌশল ও প্রচারে এসব নেতির প্রভাব এড়ানোও সম্ভব হতে পারে।

সবকিছু মিলে নির্বাচনী আবহাওয়া কমবেশি সব দলের পক্ষেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং চিন্তা-দুশ্চিন্তায় উত্তপ্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তার বিষয়টি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবু ক্ষমতাসীন দলের গত কয়েক বছরের শাসনের ইতিবাচক দিকের বিবেচনায় এবং আরও একাধিক কারণে আগামী নির্বাচনে তাদের সাফল্যের সম্ভাবনা অধিক বলে অনেকে মনে করেন।

প্রসঙ্গত মনে রাখা দরকার যে, আন্তর্জাতিক মহলের খবরদারি স্থানীয় রাজনীতি ও নির্বাচনে সামান্যই প্রভাব ফেলতে সক্ষম, যদি সেখানে প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ না ঘটে; যেমন একদল ব্যাপকভাবে দক্ষিণ আমেরিকায় মার্কিনি গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর গোপন তৎপরতা, যা এখনও কমবেশি চলছে, যেমন ভেনিজুয়েলায়। বাংলাদেশ এদিক থেকে কিছুটা ভিন্ন হলেও অর্থনৈতিকভাবে বিদেশি প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। তবে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব অপেক্ষাকৃত কম।

ভাষাসংগ্রামী, কবি, প্রাবন্ধিক, রবীন্দ্র গবেষক

ভারতের শ্বাস রুদ্ধ করে ’টাই’ আফগানদের

ভারতের শ্বাস রুদ্ধ করে ’টাই’ আফগানদের

ভারত 'বধ' করেই ফেলেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত টাই ...

১৪ দল-বিএনপি মুখোমুখি

১৪ দল-বিএনপি মুখোমুখি

রাজনীতিতে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার ...

পল্টন-সোহরাওয়ার্দী কোনোটাই পাচ্ছে না বিএনপি

পল্টন-সোহরাওয়ার্দী কোনোটাই পাচ্ছে না বিএনপি

আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রথমে রাজধানীতে জনসভা করার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। ওইদিন ...

শীর্ষ চার রুশ ব্লগার বাংলাদেশে

শীর্ষ চার রুশ ব্লগার বাংলাদেশে

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে রাশিয়ার জনগণের সামনে তুলে ধরা এবং দ্বিপক্ষীয় ...

ভূমিহীনের জন্য বরাদ্দ জমিতে বড়লোকের পুকুর

ভূমিহীনের জন্য বরাদ্দ জমিতে বড়লোকের পুকুর

মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরে তা বিক্রি করে সংসার চলতো ভূমিহীন ...

জাতীয় ঐক্যকে চাপে রাখবে আ'লীগ ও ১৪ দলীয় জোট

জাতীয় ঐক্যকে চাপে রাখবে আ'লীগ ও ১৪ দলীয় জোট

শুরুতে স্বাগত জানালেও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া গঠন এবং সরকারবিরোধীদের নিয়ে ...

জিততেই হবে আজ

জিততেই হবে আজ

অতীতের ভুল তারা কখনোই স্বীকার করে না। মানতে চায় না ...

প্রশাসনে নির্বাচনী রদবদল

প্রশাসনে নির্বাচনী রদবদল

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ...