মন্তব্য

'বাজারে চামড়া হাত বদল পদ্ধতিতে পরিবর্তন দরকার'

 প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

 অনলাইন ডেস্ক

২০১৩ সাল থেকে  কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই বছর লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ছিল সর্বোচ্চ ৯০ টাকা। এবার তা নেমে হয়েছে ৫০ টাকা। চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ীর মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। দাম না পাওয়ায় অনেকে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন বলেও শোনা যায়। চামড়ার দাম কম হওয়ায় ব্যবসায়ীরা কিভাবে বা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তা নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং কোহিনূর ট্যানারি ও স্কট ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীন আহমেদ 

কোরবানির পশুর চামড়ার দামটা নির্ধারণ হয় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের জন্য। তারা না বুঝেই ব্যবসায় নামে। আমার মতে, এ ব্যবসায় কিছু নীতি পরিবর্তন করা দরকার। আমরা চামড়ার দাম প্রতি স্কয়ার ফুট হিসেবে দিই। এদিকে একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী স্কয়ার ফুট হিসেবে দাম কত আসবে তা নির্ধারণ করতে পারে না। ওই হিসাব না করেই তারা চামড়া কেনেন। এতে তাদের লোকসান হয়, আর্থিকভাবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্যানারি মালিকদেরও ওই লোকবল নেই যে বাজার থেকে সরাসরি চামড়া কিনবে। যার কারণে দেখা যায় চামড়াটা দুই থেকে তিন হাত বদল হয়ে আমাদের কাছে আসতে আসতে দাম বেড়ে যায়। যারা মধ্যসত্ত্বভোগী, আড়তদার তারা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কম দামে চামড়া কেনেন। তারা কিন্তু আবার আমাদের কাছে বেশি দামেই বিক্রি করেন। বাজারে এই যে হাত বদলের পদ্ধতি- এটা পরিবর্তন হওয়া দরকার। যারা মৌসুমি ব্যবসায়ী তারা হয়তো ১শ' থেকে ৩শ' ফুট চামড়া কেনেন। তারা যদি চামড়া সংরক্ষণ করে আমাদের কাছে সরাসরি বিক্রি করেন, তাহলে আমরা সঠিক দামটা পাই, তারাও ঠকেন না।

আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, চামড়া মালিকরাও পুরোপুরি স্বনির্ভর নন। তারল্য সংকট আছে দুই থেকে তিন বছর ধরে।অন্যদিকে চামড়ার বাজারটা নিয়ন্ত্রণ করছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা। যাদের প্রচুর সময় আছে। তারা চামড়া স্টক করে আমাদের কাছে বিক্রি করে বেশি দামে। এই জায়গাটা পরিবর্তন করা দরকার। এতে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবে। কোরবানির একদিন বা দুইদিনে চামড়ার যে সরবরাহ; সেটা ধরে রাখতে না পারায় তারা তাড়াতাড়ি চামড়া বিক্রি করে দেন মধ্যসত্ত্বেভাগীদের কাছে। তখন ব্যবসায়ীরাও সুযোগ বুঝে দাম দিতে চায় না। এ কারণে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ঠকেন। অনেকে কোরবানির চামড়া এতিমখানা বা মাদ্রাসায় দিয়ে দেন। তারা সেগুলো সংরক্ষণ করতে না পেরে মধ্যসত্ত্বভোগীদের কাছে বিক্রি করেন কম দামে। তারাও যদি সরাসরি আমাদের কাছে চামড়া বিক্রি করতেন তাহলে সঠিক দাম পেতেন।    



তফসিল পেছানোর দাবি ইসির মানা উচিত: বদিউল আলম

 অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর ঘোষণা ...

১৩ নভেম্বর ২০১৮

আইন করে ফেলে রাখলে সূচকে অগ্রগতি হবে না: ড. জাহিদ হোসেন

 অনলাইন ডেস্ক

কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন ও তার বাস্তবায়ন কতটুকু সহজ বা ...

০৫ নভেম্বর ২০১৮

চিঠি দেব না, ডাকলে সংলাপে যাব: সেলিম

 অনলাইন ডেস্ক

একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় ...

৩১ অক্টোবর ২০১৮

'এমন অযৌক্তিক ধর্মঘটের ওপর সরকারের কী কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই'

 অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে ...

২৯ অক্টোবর ২০১৮