চবিতে উত্তরপত্র পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় জিডি

প্রকাশ: ১৭ মে ২০১৮      

চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তিন সেমিস্টারের সাত শতাধিক উত্তরপত্র পুড়িয়ে নষ্ট করার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার হাটহাজারি থানায় এ জিডি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মো. বজল হক।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে উত্তরপত্র পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হাটহাজারি থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে সভাপতির অফিস কক্ষে ঢুকে বিভাগটির তিন সেমিস্টারের নয়টি কোর্সের মোট ৭০৯ টি খাতা চুরি করে পুড়িয়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে তৃতীয় সেমিস্টারের দুটি কোর্স , পঞ্চম সেমিস্টারের চারটি ও সপ্তম সেমিস্টারের তিনটি কোর্সসহ মোট নয়টি কোর্সের উত্তরপত্র ছিল।

বিভাগের সভাপতির কক্ষে থাকা সি সি ক্যামেরাটি মঙ্গলবার রাত ১২ টা ৫৫ সেকেন্ডে বন্ধ হয়ে যায়। পরীক্ষার উত্তরপত্রগুলো কোডিং করে প্রথম পরীক্ষককে বুঝিয়ে দেয়ার আগেই দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে ফেলে। সভাপতির কক্ষ, অফিস কক্ষ ও স্টোর রুমের তিনটি তালা পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি সভাপতির কক্ষের একটি ড্রয়ারও খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরি রুমের মূল দরজাটি বাইরে তালাবদ্ধ থাকলেও ভিতর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। অপর দুটি দরজা খোলা পাওয়া যায়। সেমিনার কক্ষের ওই দুই দরজা দিয়ে ছাদের সাথে সংযোগ রয়েছে বলে জানায় বিভাগ সূত্র। ওই কক্ষেই দুর্বৃত্তরা আগে থেকে আড়ি পেতে ছিল বলে ধারণা করছেন বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অনুষদের প্রথম তলা থেকে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত ঝুলানো একটি দড়ি পাওয়া যায়।

এদিকে এ ঘটনার জন্য সন্দেহের তীর বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর দিকে। ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে মনে করছে বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। 

ওই কোর্সের পরীক্ষার দিন হলে নিজেদের খাতা পরিবর্তনের দায়ে দুই শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে দেননি কর্তব্যরত পরীক্ষকরা। এর রেশ ধরে তারা এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারণা করছেন বিভাগটির বেশ কয়েকজন শিক্ষক।    

অন্যদিকে এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত শিক্ষকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। 

তারা বলেন, ‘প্রায় প্রত্যেক ফ্যাকাল্টির নিরাপত্তায় রাতে নিয়োজিত থাকেন দুইজন প্রহরী। কয়েকটি অনুষদে তিনজন প্রহরী থাকেন। এত কম সংখ্যক প্রহরী দিয়ে কিভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়? এখানে আমাদের অনেক কাগজপত্র থাকে, অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস থাকে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মো. বজল হক সমকালকে বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিরাপত্তা প্রহরী বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

আরও পড়ুন

 ফিলিপাইন নয়, অভিযান বাংলাদেশ মডেলে

ফিলিপাইন নয়, অভিযান বাংলাদেশ মডেলে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ফিলিপাইন বা অন্য কোনো দেশের ...

 স্বল্প সময়ে নানা জরুরি প্রসঙ্গে আলোচনা হবে

স্বল্প সময়ে নানা জরুরি প্রসঙ্গে আলোচনা হবে

শান্তিনিকেতনে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ...

 ১৯৮ ভবনের দিকে অভিযোগের তীর

১৯৮ ভবনের দিকে অভিযোগের তীর

গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের ...

নজরুল জয়ন্তী আজ

নজরুল জয়ন্তী আজ

বাংলা সাহিত্যাকাশে তার আবির্ভাবকে বলা যায় অগ্নিবীণা হাতে ধূমকেতুর মতো ...

সিটি ভোটের প্রচারে নামছেন এমপিরা

সিটি ভোটের প্রচারে নামছেন এমপিরা

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবে সায় দিয়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি ...

আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট করতে এসে দালালসহ ধরা রোহিঙ্গা নারী

আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট করতে এসে দালালসহ ধরা রোহিঙ্গা নারী

পাসপোর্ট করার জন্য রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে এসে দালালসহ ধরা ...

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের আদেশ রোববার

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের আদেশ রোববার

কুমিল্লার এক হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাইকোর্টে জামিন ...

রোহিঙ্গা শিশুদের নিজের সন্তানের মতো দেখুন: প্রিয়াঙ্কা

রোহিঙ্গা শিশুদের নিজের সন্তানের মতো দেখুন: প্রিয়াঙ্কা

কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের সব ...